Subscribe Us

header ads

বাংলার গলি-গলি খবর


আজ (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলার গলি-গলি খবর—অর্থাৎ রাজ্যের স্থানীয়, রাজনৈতিক, ক্রাইম ও অন্যান্য টাটকা আপডেটের সারাংশ দিচ্ছি। প্রধান খবরগুলো জেলা-ভিত্তিক ও টপিক অনুযায়ী।

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ-গোপালনগর এলাকায় বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বেলডাঙা এলাকায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় তাদের SUV গাড়িতে লাঠি ও রড দিয়ে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। বিধায়কের স্ত্রী মৌমিতা কীর্তনিয়া সহ পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এই হামলার সঙ্গে জড়িত এবং গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়। তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, এটি স্থানীয় গ্রামবাসীদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। ঘটনায় FIR দায়ের হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি গোপালনগরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।

ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ নিবিড় পর্যালোচনা (SIR) নিয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে SIR সংক্রান্ত শুনানি পিছিয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন মার্চে ঘোষণা হতে পারে এবং এপ্রিলে ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন জেলায় ক্যাম্প পরিচালনা নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ চলছে।

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যে শীতের প্রকোপ কমছে। দিনের তাপমাত্রা ২৭ থেকে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে এবং রাতের তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর। উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে নিপাহ ভাইরাসের কোনও সংক্রমণ ধরা পড়েনি। আশোকনগরে এক নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বসিরহাট ও হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নাকা চেকিং ও জলপথে তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘Banglar Yuva Sathi’ প্রকল্প নিয়ে নতুন ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে রাজ্যপাল রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, রাজনীতিতে হিংসা ও দুর্নীতি ক্যান্সারের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় বিজেপির একটি কর্মশালায় মঞ্চ ভেঙে পড়ার ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক কটাক্ষ শুরু হয়েছে। জয়নগরে খেজুর রস সংগ্রহকারীদের জন্য সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে পেনশনসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা সম্পর্কে জানানো হয়।

১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বনগাঁ: উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানার বেলডাঙা এলাকায় বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। রাত পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এখনও কোনও গ্রেপ্তার হয়নি।

ঘটনাটি ঘটে ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ৩০ থেকে ৭টার মধ্যে। অভিযোগ, একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় বিধায়কের স্ত্রী মৌমিতা (রিঙ্কু) কীর্তনিয়া সহ পরিবারের সদস্যদের বহনকারী SUV গাড়ি বেলডাঙা চারতলা এলাকায় আটকে লাঠি, রড ও বাঁশ দিয়ে ভাঙচুর করা হয়। গাড়ির কাচ ভাঙা হয় এবং যাত্রীদের আঘাত করার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। অশোক কীর্তনিয়া দাবি করেছেন, গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ারও চেষ্টা হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। গাড়িতে বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারের শাশুড়িও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর রিঙ্কু কীর্তনিয়া গোপালনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রের দাবি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলের সম্ভাব্য সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান নেওয়া হচ্ছে। আহত দিব্যেন্দু দেবনাথ নামে এক যুবক চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর বক্তব্যও নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, এটি দলীয় হামলা নয়; এলাকায় উন্নয়ন সংক্রান্ত অসন্তোষ থেকে গ্রামবাসীরা গাড়ি আটকায়। বিজেপি পাল্টা অভিযোগে ঘটনাটিকে রাজনৈতিক হামলা বলে দাবি করেছে এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। দাবিপূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে গোপালনগরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে।

রাত পর্যন্ত তদন্ত চলমান রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ পরিস্থিতি অনুযায়ী নেওয়া হবে।

১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বনগাঁ: গোপালনগর থানার বেলডাঙা এলাকায় বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার পরিবারের গাড়িতে হামলার ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ সংক্রান্ত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। রাত পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল সংলগ্ন ক্যামেরাগুলির রেকর্ড সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করছেন। তবে এখনো পর্যন্ত কোনও সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনা হয়নি এবং পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটেজে কী ধরা পড়েছে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তের স্বার্থে ফুটেজ গোপন রাখা হয়েছে। ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রমাণ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়া বা জনসমক্ষে হামলার মূল মুহূর্তের কোনও ভাইরাল ভিডিও পাওয়া যায়নি। ইউটিউব ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে যে ভিডিওগুলি ঘুরছে, সেগুলি মূলত ঘটনার পরবর্তী প্রতিক্রিয়া, ভাঙচুর হওয়া গাড়ির দৃশ্য এবং রাজনৈতিক বিক্ষোভের ফুটেজ। হামলার সময়কার সরাসরি ভিডিও বা লাইভ ক্লিপ এখনও সামনে আসেনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনীয় ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কাজ চলছে। নতুন কোনও ভিডিও প্রকাশ্যে এলে বা তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। বর্তমানে কোনও গ্রেপ্তারের খবর নেই এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ মহকুমা দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ও বিজেপি (BJP)-র রাজনৈতিক সংঘর্ষের জন্য সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে পরিচিত। সীমান্তবর্তী অবস্থান, মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রভাব এবং নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই অঞ্চলের রাজনৈতিক উত্তেজনাকে বাড়িয়ে তুলেছে। নিচে গত কয়েক বছরের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলির সংক্ষিপ্ত কালক্রমিক বিবরণ দেওয়া হল।

২০১৯ সালে বনগাঁ পুরসভায় অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা উসকানোর অভিযোগ তোলে।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বনগাঁ উত্তর আসন থেকে বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনিয়া জয়ী হন। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যের অন্যান্য অংশের মতো বনগাঁতেও পোস্ট-পোল সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে, তৃণমূল পাল্টা বিজেপির প্ররোচনার কথা বলে।

২০২২ সালে পুরসভা উপনির্বাচনের সময় ভোটগ্রহণ ঘিরে দু’দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা সামনে আসে। বিজেপি নেতৃত্ব রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায়। তৃণমূল পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।

২০২৩ সালে বনগাঁ এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ধৃতদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়। উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করে।

২০২৪ ও ২০২৫ সালে দলবদল, পুরসভার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে একাধিক উত্তেজনার ঘটনা ঘটে। কয়েকটি ক্ষেত্রে বাড়িতে হামলা ও বিক্ষোভের অভিযোগ সামনে আসে। রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং সংগঠন শক্তিশালী করার প্রচেষ্টাকে ঘিরে বিরোধ বাড়তে থাকে।

২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি গোপালনগর থানার বেলডাঙা এলাকায় বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার পরিবারের গাড়িতে হামলার অভিযোগ নতুন করে উত্তেজনা বাড়ায়। অভিযোগ, ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে SUV গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং আগুন লাগানোর চেষ্টা হয়। বিজেপি তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে, তৃণমূল তা অস্বীকার করে। ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বনগাঁ এলাকায় সংঘর্ষের পেছনে প্রধান কারণ নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা, পুরসভা ও পঞ্চায়েত নিয়ন্ত্রণের লড়াই, ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতি এবং সীমান্ত-সংক্রান্ত ইস্যু। প্রশাসন একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পদক্ষেপ নিলেও রাজনৈতিক উত্তেজনা সময়ে সময়ে প্রকাশ্যে এসেছে।

১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বনগাঁ: উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানার বেলডাঙা এলাকায় বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার পরিবারের গাড়িতে হামলার ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। রাত পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এখনও কোনও গ্রেপ্তার হয়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটে ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ৩০ থেকে ৭টার মধ্যে। অভিযোগ, একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় বিধায়কের স্ত্রী রিঙ্কু (মৌমিতা) কীর্তনিয়া সহ পরিবারের সদস্যদের বহনকারী একটি SUV গাড়ি বেলডাঙা চারতলা এলাকায় আটকে দেওয়া হয়। গাড়িতে লাঠি, রড ও বাঁশ দিয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। কাচ ও গাড়ির অন্যান্য অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গাড়িতে বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারের শাশুড়িও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

অশোক কীর্তনিয়া দাবি করেছেন, দুষ্কৃতীরা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তাঁর অভিযোগ, এটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক হামলা। তবে কোনও গুরুতর শারীরিক আঘাতের খবর পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

ঘটনার পর রিঙ্কু কীর্তনিয়া গোপালনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

বিজেপি নেতৃত্ব তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, এটি দলীয় হামলা নয়; স্থানীয় অসন্তোষ থেকে ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনাটি ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া ও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চালু রয়েছে।

রিসার্চ নিউজ ভেরিফাই করার নিউজ আছে, আমাদের পাশে থাকবেন


Post a Comment

0 Comments