Subscribe Us

header ads

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা–শহুরে ২.০ (PMAY-U 2.0): অনলাইনে লগইন ও আবেদন প্রক্রিয়া সহজ নির্দেশিকা

নয়াদিল্লি/কলকাতা:
শহুরে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির জন্য সাশ্রয়ী আবাসনের লক্ষ্য নিয়ে কেন্দ্র সরকার চালু করেছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা–শহুরে ২.০ (PMAY-U 2.0)। আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্পটি সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে শুরু হয়ে ২০২৯ সাল পর্যন্ত চলবে। প্রকল্পের আওতায় অনলাইন আবেদন, যোগ্যতা যাচাই ও স্ট্যাটাস ট্র্যাকিংয়ের জন্য একাধিক অফিসিয়াল পোর্টাল চালু রয়েছে।
লগইন পোর্টাল—ভূমিকা অনুযায়ী আলাদা ব্যবস্থা
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী/সুবিধাভোগী, অফিসার ও ব্যাঙ্ক/PLI—ভূমিকা অনুযায়ী লগইন পোর্টাল ভিন্ন রাখা হয়েছে, যাতে পরিষেবা দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়।
আবেদনকারী/সুবিধাভোগীদের জন্য
আবেদন করা, যোগ্যতা যাচাই বা আবেদন ট্র্যাক করার জন্য—
https://pmaymis.gov.in/pmaymis2_2024/PMAY_SURVEY/Applicant_Login.aspx
এখানে Applicant Login, Officer Login ও ARH Login—এই অপশনগুলি পাওয়া যায়।
সাধারণ ব্যবহারকারী/অফিসারদের জন্য (MIS লগইন)
ULB/স্টেকহোল্ডারদের জন্য ব্যবহৃত MIS পোর্টাল—
https://pmaymis.gov.in/pmaymis2_2024/Auth/Login.aspx
প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য ও নির্দেশিকার জন্য
প্রধান PMAY-U ওয়েবসাইট—
https://pmay-urban.gov.in/
এখান থেকে PMAY-U 2.0 সেকশনে গিয়ে সর্বশেষ গাইডলাইন ও খবর জানা যাবে।
সুদ ভর্তুকি (ISS/CLSS) স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং
পুরনো/সম্পর্কিত CLAP পোর্টাল—
http://pmayuclap.gov.in/Home/LogIn
(সাবসিডি স্ট্যাটাসের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে)
শুরু করার ধাপসমূহ
অফিসিয়াল পোর্টালে প্রবেশ করুন: https://pmaymis.gov.in/pmaymis2_2024/
Applicant সেকশনে গিয়ে প্রথমে যোগ্যতা যাচাই করুন।
ব্যক্তিগত আবেদন বা স্ট্যাটাস জানতে Applicant Login ব্যবহার করুন।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
কেবলমাত্র .gov.in দিয়ে শেষ হওয়া সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রতারণা এড়াতে অচেনা লিঙ্ক এড়িয়ে চলুন। লগইন সমস্যায় Forgot Password বা OTP অপশন ব্যবহার করা যেতে পারে; প্রয়োজনে পোর্টালের সাপোর্ট/অভিযোগ সেকশনে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা – গ্রামীণ (PMAY-G)
সম্পূর্ণ তথ্য (ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুযায়ী)
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা – গ্রামীণ হল ভারত সরকারের গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রকের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় যেসব পরিবার ঘরহীন বা কাঁচা ও জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করে, তাদের পাকা ঘর দেওয়া হয়। এই প্রকল্পটি ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে চালু হয়েছে এবং এর মূল লক্ষ্য হল “সবার জন্য ঘর”।
এই প্রকল্পের আওতায় শুধুমাত্র ঘর নয়, বরং ঘরের সঙ্গে টয়লেট, রান্নাঘর, বিদ্যুৎ সংযোগ, নিরাপদ পানীয় জল এবং অন্যান্য মৌলিক সুবিধা যুক্ত করা হয়।
সাম্প্রতিক আপডেট (২০২৫–২০২৬)
কেন্দ্র সরকার এই প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে মার্চ ২০২৯ পর্যন্ত করেছে। নতুন করে আরও প্রায় ২ কোটি ঘর নির্মাণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪.৯৫ কোটি ঘর।
জাতীয় স্তরে অগ্রগতি (ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত)
সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৩.৮৭ কোটির বেশি ঘর স্যাঙ্কশন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২.৭ থেকে ২.৯৫ কোটি ঘর নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়েছে। গত পাঁচ বছরে ২ কোটির বেশি নতুন ঘর অনুমোদন করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, স্যাঙ্কশন হওয়া ঘরের প্রায় ৭৪ শতাংশ মহিলাদের নামে একক বা যৌথ মালিকানায় রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে প্রকল্পের অবস্থা
পশ্চিমবঙ্গে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৫.৬৯ লক্ষ ঘর স্যাঙ্কশন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩৪.১১ লক্ষ ঘর সম্পূর্ণ হয়েছে, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। রাজ্যে এই প্রকল্পটি “বাংলার বাড়ি” প্রকল্পের সঙ্গে মিলিয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
কারা এই ঘর পাওয়ার যোগ্য
যারা গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করেন এবং যাদের নিজস্ব পাকা ঘর নেই অথবা কাঁচা ও জরাজীর্ণ ঘরে থাকেন, তারাই এই প্রকল্পের আওতায় আসেন। নির্বাচন করা হয় SECC 2011 এবং Awaas+ সার্ভের তথ্যের ভিত্তিতে।
অগ্রাধিকার দেওয়া হয় এসসি ও এসটি পরিবার, মহিলা-প্রধান পরিবার, প্রতিবন্ধী সদস্য রয়েছে এমন পরিবার এবং যেসব পরিবারে ১৮ থেকে ৫৯ বছরের কোনো উপার্জনক্ষম সদস্য নেই।
যাদের ইতিমধ্যে পাকা ঘর আছে, সরকারি চাকরি করেন বা বড় সম্পত্তি ও গাড়ির মালিক, তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
আর্থিক সহায়তা কত
সমতল এলাকায় প্রতিটি পরিবারকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় এই পরিমাণ ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ধাপে ধাপে দেওয়া হয়। এছাড়া এমজিএনরেগার শ্রম, জল, বিদ্যুৎ ও টয়লেটের সুবিধাও যুক্ত করা হয়।
আবেদন কীভাবে করবেন
এই প্রকল্পে সরাসরি অনলাইন আবেদন করার ব্যবস্থা নেই। মূলত সরকারিভাবে করা সার্ভের মাধ্যমেই উপভোক্তা নির্বাচন করা হয়। তবে Awaas+ 2024 অ্যাপের মাধ্যমে সেল্ফ সার্ভে করা যায়। এজন্য আধার কার্ড দিয়ে যাচাই করে তথ্য জমা দিতে হয়।
গ্রাম পঞ্চায়েত বা ব্লক অফিসে যোগাযোগ করলেও সার্ভে সংক্রান্ত সাহায্য পাওয়া যায়।
স্ট্যাটাস কীভাবে দেখবেন
pmayg.nic.in ওয়েবসাইটে গিয়ে AwaasSoft অপশনে উপভোক্তার নাম, আধার নম্বর বা জেলা অনুযায়ী খোঁজ করা যায়। পশ্চিমবঙ্গে জেলা ভিত্তিক তালিকা জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইটেও পাওয়া যায়।
গুরুত্বপূর্ণ কথা
এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র গ্রামীণ এলাকার জন্য। শহর বা কলকাতার বাসিন্দাদের জন্য এই প্রকল্প প্রযোজ্য নয়। প্রতারণা এড়াতে শুধুমাত্র সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা – গ্রামীণ (PMAY-G)
আবেদন প্রক্রিয়া: কীভাবে নাম তুলবেন (ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুযায়ী)

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা – গ্রামীণ প্রকল্পে শহরের মতো আলাদা করে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার ব্যবস্থা নেই। এই প্রকল্পে মূলত সরকারিভাবে করা সার্ভের মাধ্যমে উপভোক্তা নির্বাচন করা হয়। তবে যেসব পরিবার সার্ভেতে বাদ পড়েছে, তারা এখন নিজে থেকেই নাম তোলার সুযোগ পাচ্ছেন।

এই কাজের জন্য সরকার চালু করেছে Awaas+ 2024 মোবাইল অ্যাপ।

Awaas+ 2024 অ্যাপ দিয়ে কীভাবে নাম তুলবেন

প্রথমে সরকারি ওয়েবসাইট pmayg.nic.in থেকে Awaas+ 2024 অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য।

অ্যাপ খুলে ভাষা নির্বাচন করুন, এরপর “Self Survey” বা “Self Registration” অপশনে যান।

এরপর আধার নম্বর দিতে হবে এবং মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে মুখের ছবি তুলে যাচাই করতে হবে। ভালো আলোতে সোজা হয়ে মুখ দেখালেই যাচাই হয়ে যায়।


এরপর পরিবারের সদস্যদের তথ্য দিতে হবে—কে কে আছেন, বাড়িতে পাকা ঘর আছে কি না, পরিবার গরিব কি না, মহিলা-প্রধান পরিবার কি না, এসসি বা এসটি পরিবার কি না—এই ধরনের প্রশ্ন থাকবে।

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য দিতে হবে, কারণ টাকা সরাসরি ব্যাঙ্কে দেওয়া হয়।

বর্তমান ঘরের ছবি তুলতে হবে। ছবি তোলার সময় জায়গা নিজে থেকেই ধরা পড়ে।

সব তথ্য ঠিক থাকলে সাবমিট করুন। সাবমিট হলে একটি রেফারেন্স নম্বর পাওয়া যাবে এবং মোবাইলে মেসেজ আসবে।

এরপর এই তথ্য গ্রাম পঞ্চায়েত ও গ্রাম সভায় যাচাই করা হবে। যাচাই ঠিক হলে নাম প্রভিশনাল তালিকায় উঠবে, পরে ঘর স্যাঙ্কশন হবে।

গ্রাম পঞ্চায়েত বা ব্লক অফিসে গিয়েও নাম তোলা যায়

যাদের স্মার্টফোন নেই বা অ্যাপ চালাতে সমস্যা হয়, তারা সরাসরি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস বা ব্লক অফিসে যেতে পারেন।

সেখানে জানাতে হবে যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় নাম ওঠেনি। আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক পাসবুক, রেশন কার্ড বা ভোটার কার্ড সঙ্গে নিয়ে গেলে সুবিধা হবে।

সরকারি সার্ভেয়ার এসে বাড়ির তথ্য নেবে এবং অ্যাপের মাধ্যমেই সার্ভে করবে।


নাম হয়েছে কি না কীভাবে জানবেন

pmayg.nic.in ওয়েবসাইটে গিয়ে AwaasSoft অপশনে ঢুকে নাম, আধার নম্বর বা জেলা–ব্লক–পঞ্চায়েত দিয়ে খোঁজ করা যায়।

পশ্চিমবঙ্গে অনেক সময় জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট বা prd.wb.gov.in-এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

কোন কোন কাগজ লাগতে পারে

আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিস অ্যাকাউন্টের তথ্য, রেশন কার্ড বা ভোটার আইডি। এসসি বা এসটি হলে সার্টিফিকেট লাগতে পারে। আগে পাকা ঘর পাওয়া হয়নি—এই মর্মে নিজের ঘোষণা দিতে হয়।


গুরুত্বপূর্ণ কথা

এই প্রকল্পে কোনো টাকা লাগে না। কেউ টাকা চাইলে বিশ্বাস করবেন না।

PMAY-G শুধু গ্রামীণ এলাকার জন্য। শহর বা কলকাতার বাসিন্দাদের জন্য নয়।

সব সময় শুধু সরকারি .gov.in ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন।

সমস্যা হলে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে যোগাযোগ করুন বা PMAY-G হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করুন।

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা–গ্রামীণ: কারা ঘর পাওয়ার যোগ্য

নয়াদিল্লি/কলকাতা:

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা–গ্রামীণ (PMAY-G) প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ এলাকার গরিব ও ঘরহীন পরিবারগুলিকে পাকা ঘর দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পে যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয় আয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং পরিবারের বাসস্থানের অবস্থা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক দুরবস্থার উপর।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, যেসব পরিবার একেবারে ঘরহীন অথবা কাঁচা ও জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করছে এবং দেশের কোথাও পাকা ঘরের মালিক নয়, তারা এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য। উপভোক্তা নির্বাচন করা হয় SECC 2011 ডেটা, Awaas+ সার্ভে এবং গ্রাম সভার যাচাইয়ের মাধ্যমে।


ঘরহীন পরিবার, ভিক্ষুক, ম্যানুয়াল স্ক্যাভেঞ্জার, আদিবাসী গোষ্ঠী ও মুক্ত বন্ধক শ্রমিক পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। পাশাপাশি তফসিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত পরিবার, মহিলা-প্রধান পরিবার, বিধবা মহিলা এবং অক্ষম সদস্যযুক্ত পরিবারগুলিও অগ্রাধিকার তালিকায় থাকে।

তবে যেসব পরিবারের নামে পাকা ঘর, চারচাকা বা মোটরসাইকেল রয়েছে, সরকারি চাকরিজীবী সদস্য আছে কিংবা আগে অন্য আবাসন প্রকল্পে সুবিধা নেওয়া হয়েছে, তারা এই প্রকল্পের আওতার বাইরে থাকবে।

উল্লেখ্য, PMAY-G প্রকল্পটি শুধুমাত্র গ্রামীণ এলাকার জন্য প্রযোজ্য। শহরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে এই প্রকল্প কার্যকর নয়। যোগ্যতা যাচাই ও তালিকা দেখার জন্য সরকারি ওয়েবসাইট pmayg.nic.in ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা–গ্রামীণ: কারা ঘর পাওয়ার যোগ্য

নয়াদিল্লি/কলকাতা:

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা–গ্রামীণ (PMAY-G) প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ এলাকার গরিব ও ঘরহীন পরিবারগুলিকে পাকা ঘর দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পে যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয় আয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং পরিবারের বাসস্থানের অবস্থা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক দুরবস্থার উপর।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, যেসব পরিবার একেবারে ঘরহীন অথবা কাঁচা ও জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করছে এবং দেশের কোথাও পাকা ঘরের মালিক নয়, তারা এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য। উপভোক্তা নির্বাচন করা হয় SECC 2011 ডেটা, Awaas+ সার্ভে এবং গ্রাম সভার যাচাইয়ের মাধ্যমে।


ঘরহীন পরিবার, ভিক্ষুক, ম্যানুয়াল স্ক্যাভেঞ্জার, আদিবাসী গোষ্ঠী ও মুক্ত বন্ধক শ্রমিক পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। পাশাপাশি তফসিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত পরিবার, মহিলা-প্রধান পরিবার, বিধবা মহিলা এবং অক্ষম সদস্যযুক্ত পরিবারগুলিও অগ্রাধিকার তালিকায় থাকে।

তবে যেসব পরিবারের নামে পাকা ঘর, চারচাকা বা মোটরসাইকেল রয়েছে, সরকারি চাকরিজীবী সদস্য আছে কিংবা আগে অন্য আবাসন প্রকল্পে সুবিধা নেওয়া হয়েছে, তারা এই প্রকল্পের আওতার বাইরে থাকবে।

উল্লেখ্য, PMAY-G প্রকল্পটি শুধুমাত্র গ্রামীণ এলাকার জন্য প্রযোজ্য। শহরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে এই প্রকল্প কার্যকর নয়। যোগ্যতা যাচাই ও তালিকা দেখার জন্য সরকারি ওয়েবসাইট pmayg.nic.in ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Post a Comment

0 Comments