লিস্ট চেক করতে এখানে ক্লিক করুন
ভারত নির্বাচন কমিশন
নির্বাচন সদন, অশোকা রোড, নয়াদিল্লি – ১১০০০১
নং: ECI/PN/017/2026
তারিখ: ০৬.০২.২০২৬
প্রেস নোট
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নিয়োজিত ১,৪৪৪ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের ব্রিফিং সম্পন্ন
আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মেনে নির্বাচন পরিচালনার আহ্বান প্রধান নির্বাচন কমিশনারের
১. আসাম, কেরালা, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নিযুক্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশ্যে ভারত নির্বাচন কমিশনের (ECI) ব্রিফিং বৈঠক আজ IIIDEM-এ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
২. ২০২৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি দুই দিনে তিনটি পর্যায়ে এই ব্রিফিং বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ১,৪৪৪ জন আধিকারিক অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ৭১৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ২৩৩ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৪৯৭ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক ছিলেন।
৩. পর্যবেক্ষকদের ভোটার তালিকা প্রস্তুতি, নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনী ব্যয় পর্যবেক্ষণ, তথ্যপ্রযুক্তি ও মিডিয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের ইভিএম (EVM) ব্যবহারের ওপর একটি প্রদর্শনীও দেখানো হয়।
৪. ব্রিফিংয়ের দ্বিতীয় ও শেষ দিনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শ্রী জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার ড. সুখবীর সিং সন্ধু ও ড. বিবেক যোশি তৃতীয় ব্যাচের পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। এ সময় কমিশনের পক্ষ থেকে একটি প্রশ্নোত্তর ও সন্দেহ নিরসন পর্বও অনুষ্ঠিত হয়।
৫. প্রধান নির্বাচন কমিশনার শ্রী জ্ঞানেশ কুমার তাঁর বক্তব্যে পুনরায় উল্লেখ করেন যে, ভারতে নির্বাচন সংবিধান ও আইনের বিধান এবং নির্বাচন কমিশনের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এ বিষয়ে কোনো ধরনের বিচ্যুতির সুযোগ নেই বলে তিনি স্পষ্ট করেন এবং পর্যবেক্ষকদের আইন ও কমিশনের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানান। তিনি আরও জানান, গত এক বছরে কমিশনের নেওয়া বিভিন্ন নতুন উদ্যোগের পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আরও কিছু নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি পর্যবেক্ষকদের অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
৬. নির্বাচন কমিশনার ড. এস. এস. সন্ধু তাঁর বক্তব্যে বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের ওপর একটি বড় দায়িত্ব বর্তায়, কারণ মাঠপর্যায়ে তারা নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি পর্যবেক্ষকদের সর্বোচ্চ নৈতিক মান বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সকল রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
৭. নির্বাচন কমিশনার ড. বিবেক যোশি পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, তাদের কাছে প্রাপ্ত অভিযোগ ও সমস্যাগুলি দ্রুত নিষ্পত্তি করা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা আরও দৃঢ় হয়। তিনি গত এক বছরে কমিশনের নেওয়া বিভিন্ন নতুন উদ্যোগ সম্পর্কেও অবহিত করেন, যা বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল।
৮. সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং জনগণের প্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২০বি ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে। এদের মূল দায়িত্ব হলো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় কমিশনকে সহায়তা করা এবং মাঠপর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার দক্ষ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা তদারকি করা।
পি. পবন
উপ-পরিচালক
ভারত নির্বাচন কমিশন
ভারত নির্বাচন কমিশন
নির্বাচন সদন, অশোকা রোড, নয়াদিল্লি – ১১০০০১
নং: ECI/PN/016/2026
তারিখ: ০৫.০২.২০২৬
প্রেস নোট
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের ব্রিফিং দিল নির্বাচন কমিশন
১. ভারত নির্বাচন কমিশন (ECI) আজ আসাম, কেরালা, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হতে চলা সাধারণ, পুলিশ ও ব্যয় পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশ্যে ব্রিফিং বৈঠকের আয়োজন করে।
২. এই ব্রিফিং বৈঠকে মোট ১,৪৪৪ জন আধিকারিককে ডাকা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ৭১৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ২৩৩ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৪৯৭ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক। ২০২৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি দুই দিনে, তিনটি পর্যায়ে নয়াদিল্লির IIIDEM-এ এই বৈঠকগুলি অনুষ্ঠিত হবে।
৩. প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) শ্রী জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার ড. সুখবীর সিং সন্ধু ও ড. বিবেক যোশি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের ব্রিফ করেন।
৪. পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শ্রী জ্ঞানেশ কুমার বলেন, তাঁদের নির্বাচন কমিশনের “আলোকবর্তিকা” হিসেবে দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, পর্যবেক্ষকদের অবশ্যই অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে এবং তাঁদের উপস্থিতি ৮২৪টি বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে সম্পূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী করবে।
৫. নির্বাচন কমিশনার ড. এস. এস. সন্ধু বলেন, মাঠপর্যায়ে নির্বাচন আধিকারিকদের কাছে পর্যবেক্ষকদের বন্ধু, দার্শনিক ও পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, পর্যবেক্ষকদের আগমন ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়া উচিত এবং তাঁদের সর্বদা সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য থাকতে হবে, যাতে ভোটারদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায় এবং পক্ষপাতিত্বের কোনো ধারণাও না তৈরি হয়।
৬. নির্বাচন কমিশনার ড. বিবেক যোশি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশাবলি অক্ষরে অক্ষরে ও মনোভাবসহ কার্যকর করা পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব। তিনি নিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি তিনি নির্দেশ দেন, ভোটারদের যাতে ভোটের দিন কোনো অসুবিধা না হয়, সে জন্য ভোটার তথ্য স্লিপ (Voter Information Slip – VIS) যথাসময়ে বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে।
৭. কমিশনের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে একটি প্রশ্নোত্তর ও সন্দেহ নিরসন পর্বও অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও কমিশনের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা পাঁচটি নির্বাচনী রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকা প্রস্তুতি ও নির্বাচন পরিচালনার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে পর্যবেক্ষকদের অবহিত করেন।
৮. ব্রিফিং চলাকালীন পর্যবেক্ষকদের তথ্যপ্রযুক্তি (IT) ভিত্তিক বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ও প্ল্যাটফর্ম এবং মিডিয়া সংক্রান্ত বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
৯. নির্বাচন কমিশনের চোখ ও কান হিসেবে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের সমস্ত নির্বাচন সংক্রান্ত আইন, বিধি ও নির্দেশিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা থেকে সরাসরি কমিশনকে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়, যাতে নিয়মাবলির কঠোর ও নিরপেক্ষ প্রয়োগ নিশ্চিত করা যায়।
১০. পর্যবেক্ষকদের রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও সাধারণ ভোটারদের কাছে সর্বদা সহজলভ্য থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে ভোটারদের অভিযোগ সময়মতো নিষ্পত্তি করা যায়।
১১. পর্যবেক্ষকদের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করে ভোটারদের সুবিধার্থে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক উদ্যোগগুলি বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রগুলিতে ন্যূনতম নিশ্চিত সুবিধা (Assured Minimum Facilities – AMFs) প্রদান নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
১২. সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং জনগণের প্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২০বি ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত পূর্ণ ক্ষমতাবলে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে। তাঁদের দায়িত্ব হলো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় কমিশনকে সহায়তা করা এবং মাঠপর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার দক্ষ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা তদারকি করা।
পি. পবন
উপ-পরিচালক
ভারত নির্বাচন কমিশন
নির্বাচন সদন, অশোকা রোড, নয়াদিল্লি – ১১০০০১
নং: ECI/PN/015/2026
তারিখ: ০৪.০২.২০২৬
প্রেস নোট
রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করতে চলেছে ভারত নির্বাচন কমিশন
২৫ বছরেরও বেশি সময় পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় SEC সম্মেলন
১. ভারত নির্বাচন কমিশন (ECI) আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের (State Election Commissioners – SECs) জাতীয় সম্মেলন আয়োজন করবে। দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে। সম্মেলনটি নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হবে।
২. এই জাতীয় SEC সম্মেলনটি ২৫ বছরেরও বেশি সময়ের ব্যবধানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সর্বশেষ এ ধরনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
৩. প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) শ্রী জ্ঞানেশ কুমার নির্বাচন কমিশনার ড. সুখবীর সিং সন্ধু ও ড. বিবেক যোশির সঙ্গে সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন।
৪. সম্মেলনে রাজ্য নির্বাচন কমিশনাররা তাঁদের আইনি বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করবেন এবং নিজেদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন। এছাড়াও, নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ ৩৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রধান নির্বাচন আধিকারিকরা (Chief Electoral Officers – CEOs) এই জাতীয় সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন।
৫. এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হলো নিজ নিজ আইনগত কাঠামোর মধ্যে থেকে নির্বাচন সংক্রান্ত প্রক্রিয়া ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় ভারত নির্বাচন কমিশন (ECI) ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলির (SECs) মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও দৃঢ় করা।
৬. অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন আলোচনাসভায় অংশ নেবেন, যেখানে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোটার যোগ্যতা সংক্রান্ত নির্বাচনী আইন, নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে গৃহীত প্রযুক্তিগত উদ্যোগ—যেমন সদ্য চালু হওয়া ECINET ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ইভিএম (EVM) সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
৭. ভারত নির্বাচন কমিশন সংবিধান ও দেশের আইনগত কাঠামোর অধীনে ভোটার তালিকা প্রস্তুত এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে নিজেদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলির সঙ্গে ভাগ করে নেবে।
৮. সংবিধানের ৭৩তম ও ৭৪তম সংশোধনী অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির আইন দ্বারা রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলি গঠিত হয়েছে। পঞ্চায়েত ও পৌর সংস্থাগুলির সমস্ত নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুত এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে তত্ত্বাবধান, নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলির ওপর ন্যস্ত।
পি. পবন
উপ-পরিচালক
🌼 অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা 🌼
এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিষয়কে এত যত্ন নিয়ে বাংলায় তুলে ধরার উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সঠিক তথ্য ও সচেতন নাগরিক, আর আপনার এই কাজ মানুষকে সেই পথেই এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।
ভারত নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বার্তা সহজ ও প্রাঞ্জল বাংলায় পৌঁছে দেওয়া মানে সাধারণ মানুষের কাছে গণতন্ত্রকে আরও কাছের করে তোলা। এই প্রচেষ্টা ছোট মনে হলেও এর প্রভাব অনেক বড়।
আশা করি আপনার এই কাজ আরও অনেকের উপকারে আসবে, বিশ্বাস তৈরি করবে এবং মানুষের মধ্যে ভোট ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াবে। এভাবেই দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যান—সাফল্য নিজে থেকেই আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে। 🌱
আপনার পরিশ্রম সার্থক হোক, কলম আরও শক্ত হোক ✍️

0 Comments